জলন্ধর ও বৃন্দার উপাখ্যান। তুলসী এবং শালগ্রাম শিলার উৎপত্তি।
'শিব পুরাণ' এবং 'দেবী ভাগবত পুরাণে' বর্ণিত কাহিনী অনুসারে একবার "দেবরাজ ইন্দ্র মহাদেবের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে কৈলাস পর্বতে আসছিলেন" । এই সময় মহাদেব ইন্দ্রের ধৈর্য পরীক্ষা করার জন্য 'অঘোরি রূপে' কৈলাসের পথে শুয়ে পড়লেন। ইন্দ্র 'অঘোরি' রূপে শিবকে দেখে চিনতে না পেরে তাকে পথ থেকে সরে যেতে আদেশ দিলেন, কিন্তু অঘোরি একটুও নরলেন না। বারবার বলার পরেও তখন অঘোরি সরলেন না তখন ইন্দ্র তাকে বলপূর্বক সরাতে চাইলেন। কিন্তু ইন্দ্রের সকল প্রকার অস্ত্র-শস্ত্র তার সামনে ব্যার্থ হয়, যার ফলে ইন্দ্র ক্রোধিত হয়ে বজ্র দ্বারা শিবের মস্তকে আঘাত করলেন। এতে মহাদেব ক্ষুব্ধ হয়ে তৃতীয় নয়ন দ্বারা ভষ্ম করতে উদ্যত হলে ইন্দ্র তাকে চিনতে পেরে শিবের সরনাপন্ন হলেন। এতে মহাদেব ইন্দ্রকে ক্ষমা করলেন এবং তার ক্রোধাগ্নি 'সমুদ্রে' নিক্ষেপ করলেন। শিবের ক্রোধাগ্নি সমুদ্রে গিয়ে মিলিত হলে তার থেকে এক শিশুর জন্ম হয়। 'দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য' এই শিশুর পালনের দায়িত্ব নিলেন। যেহেতু জল তাকে ধারন করছিল তাই তার নাম হ...